টিনোফোরা পর্বের প্রাণীদের চলনে সিলিয়াযুক্ত আটটি চিরুনি প্লেট (comb plates) সাহায্য করে। এই প্লেটগুলো সারিবদ্ধভাবে সজ্জিত থাকে এবং এদের সিলিয়ার ছন্দবদ্ধ নড়াচড়ার মাধ্যমে প্রাণীটি জলে চলাচল করে।
• প্যারাপোডিয়া: এটি অ্যানিলিডা পর্বের কিছু প্রাণীর (যেমন নেরিস) চলন অঙ্গ।
• সিলিয়াযুক্ত চিরুনি প্লেট: এটি টিনোফোরা পর্বের প্রাণীদের চলন অঙ্গ।
• সিটা: এটি অ্যানিলিডা পর্বের কেঁচোর চলন অঙ্গ।
• স্যাকার: এটি কিছু পরজীবী প্রাণীর (যেমন জোক) সংলগ্ন অঙ্গ।
Life Scienceজীবন ও তার বৈচিত্র্যClassification of Animal KingdomQ. #6720 (CAT-I)
টিনোফোরা পর্বের প্রাণীদের লার্ভা দশা কী নামে পরিচিত?
টিনোফোরা পর্বের প্রাণীদের কোনো নির্দিষ্ট রেচন অঙ্গ নেই। রেচন প্রক্রিয়া দেহের সাধারণ পৃষ্ঠের মাধ্যমে ঘটে।
• ফ্লেম কোষ: এটি প্লাটিহেলমিন্থেস পর্বের প্রাণীদের (যেমন প্ল্যানারিয়া) রেচন অঙ্গ।
• নেফ্রিডিয়া: এটি অ্যানিলিডা পর্বের প্রাণীদের (যেমন কেঁচো) রেচন অঙ্গ।
• কোনো নির্দিষ্ট রেচন অঙ্গ নেই: এটি টিনোফোরা এবং সিলেন্টেরটা পর্বের প্রাণীদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
• মালপিজিয়ান নালিকা: এটি আর্থ্রোপোডা পর্বের প্রাণীদের (যেমন পোকামাকড়) রেচন অঙ্গ।
Life Scienceজীবন ও তার বৈচিত্র্যClassification of Animal KingdomQ. #6718 (CAT-I)
টিনোফোরা পর্বের প্রাণীদের দেহ দ্বি-অরীয় প্রতিসাম্য (Biradial symmetry) প্রদর্শন করে। এর অর্থ হলো, তাদের দেহকে দুটি ভিন্ন অক্ষ বরাবর দুটি তলে ভাগ করলে দুটি সমান অংশে বিভক্ত করা যায়।
• অরীয় প্রতিসাম্য: সিলেন্টেরটা পর্বের প্রাণীদের (যেমন হাইড্রা) দেহে দেখা যায়, যেখানে কেন্দ্রীয় অক্ষ বরাবর একাধিক তলে দেহকে সমান অংশে ভাগ করা যায়।
• দ্বিপার্শ্বীয় প্রতিসাম্য: প্লাটিহেলমিন্থেস থেকে শুরু করে উচ্চতর পর্বের প্রাণীদের দেহে দেখা যায়, যেখানে একটি মাত্র তলে দেহকে দুটি সমান ডান ও বাম অংশে ভাগ করা যায়।
• দ্বি-অরীয় প্রতিসাম্য: টিনোফোরা পর্বের একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য।
• অপ্রতিসাম্য: কিছু নিম্নশ্রেণীর প্রাণী বা স্পঞ্জ (Poreifera) পর্বের প্রাণীদের দেহে দেখা যায়, যেখানে কোনো তলেই দেহকে সমান অংশে ভাগ করা যায় না।
⚡ Practice with real exam timer and negative marking?
Attempt 100-Question Sunday Mega Mock Tests with Live State Rankings.
টিনোফোরা পর্বের প্রাণীদেরকে তাদের দেহে উপস্থিত আটটি সারিবদ্ধ চিরুনি প্লেটের (comb plates) কারণে 'চিরুনি জেলি' (Comb Jellies) বলা হয়। এই প্লেটগুলো সাঁতারের জন্য ব্যবহৃত হয়।
• সিলেন্টেরটা: এই পর্বের প্রাণীরা 'জেলিফিশ' নামে পরিচিত, কিন্তু 'চিরুনি জেলি' নয়।
• টিনোফোরা: এই পর্বের প্রাণীদের 'চিরুনি জেলি' বলা হয়।
• প্লাটিহেলমিন্থেস: এই পর্বের প্রাণীরা 'চ্যাপ্টা কৃমি' নামে পরিচিত।
• মলাস্কা: এই পর্বের প্রাণীরা নরম দেহবিশিষ্ট এবং এদের খোলস থাকতে পারে (যেমন শামুক, ঝিনুক)।
Life Scienceজীবন ও তার বৈচিত্র্যClassification of Animal KingdomQ. #6716 (CAT-I)
টিনোফোরা পর্বের একটি সাধারণ উদাহরণ হলো প্লুরোব্রাকিয়া (Pleurobrachia)।
• হাইড্রা: এটি সিলেন্টেরটা (Cnidaria) পর্বের প্রাণী।
• জেলিফিশ: এটিও সিলেন্টেরটা (Cnidaria) পর্বের প্রাণী।
• প্লুরোব্রাকিয়া: এটি টিনোফোরা (Ctenophora) পর্বের প্রাণী, যা চিরুনি জেলি নামেও পরিচিত।
• ফিতাকৃমি: এটি প্লাটিহেলমিন্থেস (Platyhelminthes) পর্বের প্রাণী।
Life Scienceজীবন ও তার বৈচিত্র্যClassification of Animal KingdomQ. #6715 (CAT-I)
টিনোফোরা পর্বের প্রাণীদের একটি অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো তাদের দেহে আটটি সারিবদ্ধ সিলিয়াযুক্ত চিরুনি প্লেটের (comb plates) উপস্থিতি, যা তাদের চলাচলে সাহায্য করে।
• দেহে নিডোব্লাস্ট কোষের উপস্থিতি: এটি সিলেন্টেরটা পর্বের প্রাণীদের বৈশিষ্ট্য।
• আটটি সিলিয়াযুক্ত চিরুনি প্লেটের উপস্থিতি: এটি টিনোফোরা পর্বের প্রাণীদের একটি অনন্য বৈশিষ্ট্য। এই চিরুনি প্লেটগুলো তাদের সাঁতারে সাহায্য করে।
• দেহে খণ্ডায়ন: এটি অ্যানিলিডা পর্বের প্রাণীদের (যেমন কেঁচো) বৈশিষ্ট্য।
• ছদ্ম-সিলোমের উপস্থিতি: এটি অ্যাসকেলমিন্থেস (নেমাটোডা) পর্বের প্রাণীদের বৈশিষ্ট্য।
Life Scienceজীবন ও তার বৈচিত্র্যClassification of Animal KingdomQ. #6714 (CAT-I)
কোন পর্বের প্রাণীদের দেহে নিডোব্লাস্ট বা নেমাটোসিস্ট কোষ অনুপস্থিত?
টিনোফোরা পর্বের প্রাণীদের দেহে নিডোব্লাস্ট বা নেমাটোসিস্ট কোষ অনুপস্থিত থাকে। এই কোষগুলো সাধারণত সিলেন্টেরটা পর্বের প্রাণীদের আত্মরক্ষা ও শিকার ধরার জন্য ব্যবহৃত হয়।
• সিলেন্টেরটা: এই পর্বের প্রাণীদের (যেমন হাইড্রা, জেলিফিশ) দেহে নিডোব্লাস্ট কোষ উপস্থিত থাকে।
• টিনোফোরা: এই পর্বের প্রাণীদের (যেমন চিরুনি জেলি) দেহে নিডোব্লাস্ট কোষ অনুপস্থিত থাকে। এদের কোলোব্লাস্ট কোষ থাকে যা শিকার ধরতে সাহায্য করে।
• প্লাটিহেলমিন্থেস: এই পর্বের প্রাণীরা (যেমন ফিতাকৃমি, প্ল্যানারিয়া) চ্যাপ্টা কৃমি নামে পরিচিত এবং এদের নিডোব্লাস্ট কোষ থাকে না।
• অ্যানিলিডা: এই পর্বের প্রাণীরা (যেমন কেঁচো, জোক) খণ্ডায়িত দেহবিশিষ্ট এবং এদেরও নিডোব্লাস্ট কোষ থাকে না।
অ্যাভোগাড্রো সংখ্যা (6.022 × 10²³) পদার্থের কণার (পরমাণু, অণু, আয়ন ইত্যাদি) সংখ্যা গণনা করতে ব্যবহৃত হয়। এটি রসায়নে পদার্থের পরিমাণগত হিসাব-নিকাশের জন্য একটি মৌলিক ধ্রুবক।
1 মোল যেকোনো পদার্থে অ্যাভোগাড্রো সংখ্যক (6.022 × 10²³) কণা থাকে। সুতরাং, 1 মোল অক্সিজেন পরমাণুতে 6.022 × 10²³ টি অক্সিজেন পরমাণু থাকে এবং 1 মোল অক্সিজেন গ্যাসে 6.022 × 10²³ টি অক্সিজেন অণু থাকে। কণার সংখ্যা (পরমাণু বা অণু) উভয় ক্ষেত্রেই সমান।