টিনোফোরা পর্বের প্রাণীদের মধ্যে বায়োলুমিনেসেন্স (জৈব-আলোক সৃষ্টি), পুনরুৎপাদন (regeneration) ক্ষমতা এবং বহিঃনিষেক (external fertilization) দেখা যায়। এদের মধ্যে অন্তঃনিষেক (internal fertilization) হয় না।
Life Scienceজীবন ও তার বৈচিত্র্যClassification of Animal KingdomQ. #6730 (CAT-I)
টিনোফোরা পর্বের প্রাণীদের দেহে কোন ধরনের সংবহনতন্ত্র দেখা যায়?
টিনোফোরা পর্বের প্রাণীদের কোনো নির্দিষ্ট সংবহনতন্ত্র (circulatory system) বা রেচনতন্ত্র (excretory system) নেই। গ্যাসীয় আদান-প্রদান এবং বর্জ্য পদার্থ নিষ্কাশন সরাসরি দেহের পৃষ্ঠতল দিয়ে ব্যাপন প্রক্রিয়ায় সম্পন্ন হয়।
Life Scienceজীবন ও তার বৈচিত্র্যClassification of Animal KingdomQ. #6729 (CAT-I)
টিনোফোরা পর্বের প্রাণীরা প্রধানত জুওপ্ল্যাঙ্কটন (zooplankton) ভক্ষণ করে। এরা সাধারণত ছোট ক্রাস্টেশিয়ান, মাছের ডিম এবং অন্যান্য ছোট সামুদ্রিক জীবকে তাদের টেন্টাকল বা ল্যাসো কোষের সাহায্যে শিকার করে।
Life Scienceজীবন ও তার বৈচিত্র্যClassification of Animal KingdomQ. #6728 (CAT-I)
টিনোফোরার প্রাণীদের দেহে কোন ধরনের লার্ভা দশা দেখা যায়?
টিনোফোরা পর্বের প্রাণীদের লার্ভা দশা সাইডিপিড (Cydippid) নামে পরিচিত। এই লার্ভা দশার গঠন প্রাপ্তবয়স্ক টিনোফোরার মতোই, তবে আকারে ছোট হয় এবং এতে চিরুনি প্লেট ও টেন্টাকল উপস্থিত থাকে।
⚡ Practice with real exam timer and negative marking?
Attempt 100-Question Sunday Mega Mock Tests with Live State Rankings.
টিনোফোরা পর্বের প্রাণীরা দ্বিস্তরীয় (diploblastic) হয়। এদের দেহের দুটি প্রধান জার্ম স্তর থাকে: একটোডার্ম (ectoderm) এবং এন্ডোডার্ম (endoderm)। এই দুটি স্তরের মাঝে মেসোগ্লিয়া নামক একটি জেলির মতো স্তর থাকে, যা কোষবিহীন বা খুব কম কোষযুক্ত হতে পারে।
Life Scienceজীবন ও তার বৈচিত্র্যClassification of Animal KingdomQ. #6726 (CAT-I)
টিনোফোরা পর্বের প্রাণীদের চলনের জন্য 8টি চিরুনি প্লেট (comb plate) থাকে। এই চিরুনি প্লেটগুলি সিলিয়া দ্বারা গঠিত এবং এদের ছন্দবদ্ধ স্পন্দনের মাধ্যমে প্রাণী সাঁতার কাটে। এই কারণেই এদেরকে 'চিরুনি জেলি'ও বলা হয়।
Life Scienceজীবন ও তার বৈচিত্র্যClassification of Animal KingdomQ. #6725 (CAT-I)
টিনোফোরা পর্বের প্রাণীদের দেহের প্রতিসাম্য সাধারণত কেমন হয়?
টিনোফোরা পর্বের প্রাণীদের দেহের প্রতিসাম্য সাধারণত দ্বি-অরীয় প্রতিসম (biradial symmetry) হয়। এর অর্থ হলো, এদের দেহকে দুটি ভিন্ন তলের মধ্য দিয়ে বিভক্ত করলে দুটি সমান অংশে ভাগ করা যায়। অরীয় প্রতিসাম্য (radial symmetry) নিডারিয়া পর্বের প্রাণীদের ক্ষেত্রে দেখা যায়, যেখানে একাধিক তল দিয়ে সমান অংশে ভাগ করা যায়।
Life Scienceজীবন ও তার বৈচিত্র্যClassification of Animal KingdomQ. #6724 (CAT-I)
টিনোফোরা পর্বের প্রাণীদের ক্ষেত্রে কোন ধরনের কোষ অনুপস্থিত?
টিনোফোরা পর্বের প্রাণীদের একটি অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো এদের দেহে নিডোব্লাস্ট বা নেমাটোসিস্ট কোষ অনুপস্থিত। এই কোষগুলি সাধারণত নিডারিয়া পর্বের প্রাণীদের (যেমন জেলিফিশ) শিকার ধরা ও আত্মরক্ষার জন্য থাকে। টিনোফোরার প্রাণীরা শিকার ধরার জন্য ল্যাসো কোষ বা কল্লোব্লাস্ট ব্যবহার করে।
Life Scienceজীবন ও তার বৈচিত্র্যClassification of Animal KingdomQ. #6723 (CAT-I)
টিনোফোরা পর্বের প্রাণীদের শিকার ধরার জন্য কোন কোষ থাকে?
টিনোফোরা পর্বের প্রাণীদের শিকার ধরার জন্য বিশেষ ধরনের আঠালো কোষ থাকে, যা 'কোলোব্লাস্ট কোষ' (Colloblast cells) নামে পরিচিত। এই কোষগুলো শিকারকে আটকে ধরতে সাহায্য করে।
• নেমাটোসিস্ট কোষ: এটি সিলেন্টেরটা পর্বের প্রাণীদের (যেমন হাইড্রা) শিকার ধরা ও আত্মরক্ষার কাজে ব্যবহৃত হয়। টিনোফোরার দেহে এটি অনুপস্থিত।
• ফ্লেম কোষ: এটি প্লাটিহেলমিন্থেস পর্বের প্রাণীদের রেচন অঙ্গ।
• কোলোব্লাস্ট কোষ: এটি টিনোফোরা পর্বের প্রাণীদের শিকার ধরার কোষ।
• গ্ল্যান্ডুলার কোষ: এটি বিভিন্ন প্রাণীর দেহে বিভিন্ন গ্রন্থিতে পাওয়া যায়, যা নির্দিষ্ট কাজ করে, তবে সরাসরি শিকার ধরার জন্য নয়।
Life Scienceজীবন ও তার বৈচিত্র্যClassification of Animal KingdomQ. #6722 (CAT-I)
টিনোফোরা পর্বের প্রাণীদের দেহের স্তর সংখ্যা কয়টি?
টিনোফোরা পর্বের প্রাণীরা দ্বিস্তরীয় (Diploblastic) প্রাণী, অর্থাৎ এদের ভ্রূণীয় বিকাশের সময় দুটি জার্ম স্তর (ভ্রূণীয় স্তর) গঠিত হয়: একটোডার্ম (ectoderm) এবং এন্ডোডার্ম (endoderm)। এদের মাঝখানে মেসোগ্লিয়া নামক একটি জেলির মতো স্তর থাকে।
• এক স্তর: কোনো বহুকোষী প্রাণীর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
• দুই স্তর: টিনোফোরা এবং সিলেন্টেরটা পর্বের প্রাণীদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
• তিন স্তর: প্লাটিহেলমিন্থেস থেকে শুরু করে উচ্চতর পর্বের প্রাণীরা ত্রিস্তরীয় (Triploblastic)।
• চার স্তর: কোনো প্রাণীর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
Life Scienceজীবন ও তার বৈচিত্র্যClassification of Animal KingdomQ. #6721 (CAT-I)
টিনোফোরা পর্বের প্রাণীদের চলনে সিলিয়াযুক্ত আটটি চিরুনি প্লেট (comb plates) সাহায্য করে। এই প্লেটগুলো সারিবদ্ধভাবে সজ্জিত থাকে এবং এদের সিলিয়ার ছন্দবদ্ধ নড়াচড়ার মাধ্যমে প্রাণীটি জলে চলাচল করে।
• প্যারাপোডিয়া: এটি অ্যানিলিডা পর্বের কিছু প্রাণীর (যেমন নেরিস) চলন অঙ্গ।
• সিলিয়াযুক্ত চিরুনি প্লেট: এটি টিনোফোরা পর্বের প্রাণীদের চলন অঙ্গ।
• সিটা: এটি অ্যানিলিডা পর্বের কেঁচোর চলন অঙ্গ।
• স্যাকার: এটি কিছু পরজীবী প্রাণীর (যেমন জোক) সংলগ্ন অঙ্গ।
Life Scienceজীবন ও তার বৈচিত্র্যClassification of Animal KingdomQ. #6720 (CAT-I)
টিনোফোরা পর্বের প্রাণীদের লার্ভা দশা কী নামে পরিচিত?
টিনোফোরা পর্বের প্রাণীদের কোনো নির্দিষ্ট রেচন অঙ্গ নেই। রেচন প্রক্রিয়া দেহের সাধারণ পৃষ্ঠের মাধ্যমে ঘটে।
• ফ্লেম কোষ: এটি প্লাটিহেলমিন্থেস পর্বের প্রাণীদের (যেমন প্ল্যানারিয়া) রেচন অঙ্গ।
• নেফ্রিডিয়া: এটি অ্যানিলিডা পর্বের প্রাণীদের (যেমন কেঁচো) রেচন অঙ্গ।
• কোনো নির্দিষ্ট রেচন অঙ্গ নেই: এটি টিনোফোরা এবং সিলেন্টেরটা পর্বের প্রাণীদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
• মালপিজিয়ান নালিকা: এটি আর্থ্রোপোডা পর্বের প্রাণীদের (যেমন পোকামাকড়) রেচন অঙ্গ।
Life Scienceজীবন ও তার বৈচিত্র্যClassification of Animal KingdomQ. #6718 (CAT-I)
টিনোফোরা পর্বের প্রাণীদের দেহ দ্বি-অরীয় প্রতিসাম্য (Biradial symmetry) প্রদর্শন করে। এর অর্থ হলো, তাদের দেহকে দুটি ভিন্ন অক্ষ বরাবর দুটি তলে ভাগ করলে দুটি সমান অংশে বিভক্ত করা যায়।
• অরীয় প্রতিসাম্য: সিলেন্টেরটা পর্বের প্রাণীদের (যেমন হাইড্রা) দেহে দেখা যায়, যেখানে কেন্দ্রীয় অক্ষ বরাবর একাধিক তলে দেহকে সমান অংশে ভাগ করা যায়।
• দ্বিপার্শ্বীয় প্রতিসাম্য: প্লাটিহেলমিন্থেস থেকে শুরু করে উচ্চতর পর্বের প্রাণীদের দেহে দেখা যায়, যেখানে একটি মাত্র তলে দেহকে দুটি সমান ডান ও বাম অংশে ভাগ করা যায়।
• দ্বি-অরীয় প্রতিসাম্য: টিনোফোরা পর্বের একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য।
• অপ্রতিসাম্য: কিছু নিম্নশ্রেণীর প্রাণী বা স্পঞ্জ (Poreifera) পর্বের প্রাণীদের দেহে দেখা যায়, যেখানে কোনো তলেই দেহকে সমান অংশে ভাগ করা যায় না।
Life Scienceজীবন ও তার বৈচিত্র্যClassification of Animal KingdomQ. #6717 (CAT-I)
টিনোফোরা পর্বের প্রাণীদেরকে তাদের দেহে উপস্থিত আটটি সারিবদ্ধ চিরুনি প্লেটের (comb plates) কারণে 'চিরুনি জেলি' (Comb Jellies) বলা হয়। এই প্লেটগুলো সাঁতারের জন্য ব্যবহৃত হয়।
• সিলেন্টেরটা: এই পর্বের প্রাণীরা 'জেলিফিশ' নামে পরিচিত, কিন্তু 'চিরুনি জেলি' নয়।
• টিনোফোরা: এই পর্বের প্রাণীদের 'চিরুনি জেলি' বলা হয়।
• প্লাটিহেলমিন্থেস: এই পর্বের প্রাণীরা 'চ্যাপ্টা কৃমি' নামে পরিচিত।
• মলাস্কা: এই পর্বের প্রাণীরা নরম দেহবিশিষ্ট এবং এদের খোলস থাকতে পারে (যেমন শামুক, ঝিনুক)।